নজরুলের মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসের লোকভাষা বিশ্লেষণ

Author: তাশরিক-ই-হাবিব

Keywords: দ্ব্যর্থবোধক শব্দ, বাংলা গদ্য, শব্দগুচ্ছ, শব্দের অর্থ, বিশিষ্ট অর্থ, ভাষা ও সমাজ, নজরুল চরিতমানস
Abstract

একাধিক অর্থ প্রকাশের ক্ষমতা শব্দের সহজাত বৈশিষ্ট্য। প্রকৃতপক্ষে শব্দের নিজের অর্থ প্রকাশের ক্ষমতা থাকে না; বাক্যের পরিপ্রেক্ষিতে শব্দের অর্থ তৈরি হয়। আবার একই শব্দ বা শব্দগুচ্ছ প্রয়শ বাক্যে একাধিক অর্থ প্রকাশ করে। বিশেষত কাব্যভাষায় এটি প্রবলভাবে দেখা যায়। কাজী নজরুল ইসলামের গদ্যভাষাতেও প্রচুর পরিমাণে দ্ব্যর্থবোধক শব্দের ব্যবহার রয়েছে। নজরুল কবি ছিলেন বলেই এই প্রবণতা দেখা যায়। তবে বিশ শতকের ব্রিটিশ উপনিবেশিত সমাজবাস্তবতাও এই সঙ্গে খেয়াল রাখা দরকার; যে কারণে তাঁকে সচেতনভাবেই দ্ব্যর্থবোধক শব্দের আশ্রয় নিতে হয়েছে। এই লেখায় নজরুলের প্রবন্ধ থেকে এ ধরনের দ্ব্যর্থবোধক শব্দ অনুসন্ধান করা হয়েছে এবং সেসব শব্দের শ্রেণি ও বৈশিষ্ট্য নিরূপণ করা হয়েছে। প্রাসঙ্গিকভাবেই শব্দের উৎস ও দ্বিবিধ অর্থ নির্দেশ করা হয়েছে। এছাড়া বিষয় ও ভাবপ্রকাশের ক্ষেত্রে এসব শব্দের প্রয়োগ কতটুকু কার্যকর হয়েছে, উপান্তে তা মূল্যায়ন করে দেখা হয়েছে। এই প্রবন্ধে আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানের অর্থ-বিশ্লেষণ পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছে।

References
অপূর্বকুমার রায় (১৯৮৯)। শৈলীবিজ্ঞান। কলকাতা: দে’জ পাবলিশিং

আনিসুজ্জামান ও অন্যান্য (১৯৯৩)। নজরুল-রচনাবলী প্রথম খণ্ড (সম্পাদিত)। ঢাকা: বাংলা একাডেমি

আবু জাফর (১৯৯৫)। সাহিত্যে সমাজ ভাবনা। ঢাকা: বাংলা একাডেমি

কলিম খান (২০০১)। পরমভাষার সংকেত: ক্রিয়াভিত্তিক শব্দার্থবিধি ও ভাষাতত্ত্বের নতুন দিগন্ত। ঢাকা: প্যাপিরাস

খান মুহাম্মদ মঈনুদ্দীন (১৯৭৮)। যুগস্রষ্টা নজরুল। ঢাকা: বাংলা একাডেমি

Scroll to Top